, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি, অতিষ্ঠ সিদ্ধিরগঞ্জবাসী  ‎ তথ্যপ্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মতলবের মহিউদ্দিন রাজৈর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে-সারাক্ষণ বাতা পরিবারের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎ সিদ্ধিরগজ্ঞে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে গ্রেপ্তার ৭ ‎ নারায়ণগঞ্জে নতুন মামলায় আইভীকে ফের ‘শোন অ্যারেস্ট’, ‎ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনকে মহানগর যুবদলের সদস্য শহিদুল ইসলামের ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নারায়ণগঞ্জ নগরভবনের দায়িত্ব নিলেন সাখাওয়াত না.গঞ্জ‌ জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে আলোচনায় মামুন মাহমুদ পাসপোর্ট অফিসে মোবাইল কোর্টে ভুয়া সাংবাদিকের কারাদণ্ড ও জরিমানা

ডিমলায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭০ পড়া হয়েছে

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর ডিমলায় মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতি সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরানুজ্জামান এর সভাপতিত্বে দিবসটি উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদুজ্জামান, ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (চলতি দায়িত্ব) ঠাকুর দাস রায়,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অবঃ প্রভাষক আবুল কাশেম সরকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (টিসিএফ) মামুনুর রশিদ,উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ফারুক হোসেন, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, সদস্য গোলাম রব্বানী প্রধান,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডিমলা সদর ইউনিয়নের আমির নুরমোবাশ্বের হোসেন,জামায়াত নেতা মিনানুরজ্জামান মিন্টু, এনসিপি নেতা শাকিল প্রধান,রাশেদুজ্জামান রাশেদ, মজিবুল, সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক মাহবুব খান, বিএমআই কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কাদেরসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় সাংবাদিকগন।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করা হবে। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, কালো ব্যাজ ধারণ, প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ভাষা শহীদদের স্মরণে রচনা, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে বলে সভায় জানানো হয়। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, আলোকসজ্জা এবং সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান বলেন, যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় আত্মত্যাগকারী ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রতিবছর দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বর্তমানে এটি বিশ্বজুড়ে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার প্রতীক হিসেবে পালিত হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি, অতিষ্ঠ সিদ্ধিরগঞ্জবাসী  ‎

ডিমলায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

প্রকাশের সময় : ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর ডিমলায় মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতি সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরানুজ্জামান এর সভাপতিত্বে দিবসটি উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদুজ্জামান, ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (চলতি দায়িত্ব) ঠাকুর দাস রায়,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অবঃ প্রভাষক আবুল কাশেম সরকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (টিসিএফ) মামুনুর রশিদ,উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ফারুক হোসেন, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, সদস্য গোলাম রব্বানী প্রধান,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডিমলা সদর ইউনিয়নের আমির নুরমোবাশ্বের হোসেন,জামায়াত নেতা মিনানুরজ্জামান মিন্টু, এনসিপি নেতা শাকিল প্রধান,রাশেদুজ্জামান রাশেদ, মজিবুল, সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক মাহবুব খান, বিএমআই কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কাদেরসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় সাংবাদিকগন।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করা হবে। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, কালো ব্যাজ ধারণ, প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ভাষা শহীদদের স্মরণে রচনা, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে বলে সভায় জানানো হয়। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, আলোকসজ্জা এবং সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান বলেন, যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় আত্মত্যাগকারী ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রতিবছর দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বর্তমানে এটি বিশ্বজুড়ে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার প্রতীক হিসেবে পালিত হচ্ছে।