, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ১০ ‎ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি, অতিষ্ঠ সিদ্ধিরগঞ্জবাসী  ‎ তথ্যপ্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মতলবের মহিউদ্দিন রাজৈর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে-সারাক্ষণ বাতা পরিবারের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎ সিদ্ধিরগজ্ঞে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে গ্রেপ্তার ৭ ‎ নারায়ণগঞ্জে নতুন মামলায় আইভীকে ফের ‘শোন অ্যারেস্ট’, ‎ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনকে মহানগর যুবদলের সদস্য শহিদুল ইসলামের ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নারায়ণগঞ্জ নগরভবনের দায়িত্ব নিলেন সাখাওয়াত না.গঞ্জ‌ জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে আলোচনায় মামুন মাহমুদ

৬৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড টি হংকংয়ে

  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৭২ পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা থেকে তথ্য ও ছবি সংগৃহীত

হংকংয়ে গত ৬৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে শুরু হওয়া আগুন কয়েকটি উঁচু ভবনে ছড়িয়ে পড়েছে। হংকংয়ের তাই পো এলাকার এই ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এখনও নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভেতরে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের জোড় চেষ্টা করছেন।
বুধবার দুপুরে আগুন লাগার ১৬ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার ভোরে কর্মকর্তারা জানান, আগুনে আক্রান্ত সাতটি ভবনের মধ্যে চারটিতে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবে বাকি তিনটিতে এখনও কাজ চলছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৫১ মিনিটে (জিএমটি ০৬:৫১) হংকংয়ের তাই পো এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে আগুন লাগে। আগুনের সূত্রপাত হয় ভবনের বাইরের বাঁশের মাচায় থেকে। ভবন সংস্কারের সময় যে বাঁশ ব্যবহার করা হয়, সেই মাচা খুব সহজেই দাহ্য। মাচায় আগুন লাগার পর মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে উপরের দিকে, তারপর ভবনের ভেতরে এবং কাছের অন্যান্য টাওয়ারে।
ভবনগুলো চারদিকে সবুজ রঙের নির্মাণ–নেট দিয়ে ঢাকা ছিল। এটি ছাদ পর্যন্ত টানানো থাকায় এই নেট আগুনে পুড়ে দ্রুত গতিতে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

এটি হংকংয়ের অন্তত আগস্ট ১৯৬২ সালের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড। ওই বছর শাম শুই পো এলাকায় ভয়াবহ আগুনে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
পরে ১৯৯৬ সালের নভেম্বরে কোলউনের নাথান রোডের গারলি বিল্ডিংয়ে আগুনে ৪১ জনের মৃত্যু এবং ৮১ জন আহত হয়।
১৯৮৩ সালে নির্মিত এই কমপ্লেক্সে মোট আটটি উঁচু ভবন রয়েছে, যেখানে ১,৯৮৪টি ফ্ল্যাট আছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর মধ্যে সাতটি ভবনে আগুন ছড়ায়। চারটি ভবনে আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে।
জানা গেছে, সোমবার থেকেই হংকংয়ে অগ্নিসতর্কতা জারি ছিল।
অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি ছিল অত্যন্ত বেশি।

সিদ্ধিরগঞ্জে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ১০ ‎

৬৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড টি হংকংয়ে

প্রকাশের সময় : ০১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা থেকে তথ্য ও ছবি সংগৃহীত

হংকংয়ে গত ৬৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে শুরু হওয়া আগুন কয়েকটি উঁচু ভবনে ছড়িয়ে পড়েছে। হংকংয়ের তাই পো এলাকার এই ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এখনও নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভেতরে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের জোড় চেষ্টা করছেন।
বুধবার দুপুরে আগুন লাগার ১৬ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার ভোরে কর্মকর্তারা জানান, আগুনে আক্রান্ত সাতটি ভবনের মধ্যে চারটিতে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবে বাকি তিনটিতে এখনও কাজ চলছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৫১ মিনিটে (জিএমটি ০৬:৫১) হংকংয়ের তাই পো এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে আগুন লাগে। আগুনের সূত্রপাত হয় ভবনের বাইরের বাঁশের মাচায় থেকে। ভবন সংস্কারের সময় যে বাঁশ ব্যবহার করা হয়, সেই মাচা খুব সহজেই দাহ্য। মাচায় আগুন লাগার পর মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে উপরের দিকে, তারপর ভবনের ভেতরে এবং কাছের অন্যান্য টাওয়ারে।
ভবনগুলো চারদিকে সবুজ রঙের নির্মাণ–নেট দিয়ে ঢাকা ছিল। এটি ছাদ পর্যন্ত টানানো থাকায় এই নেট আগুনে পুড়ে দ্রুত গতিতে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

এটি হংকংয়ের অন্তত আগস্ট ১৯৬২ সালের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড। ওই বছর শাম শুই পো এলাকায় ভয়াবহ আগুনে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
পরে ১৯৯৬ সালের নভেম্বরে কোলউনের নাথান রোডের গারলি বিল্ডিংয়ে আগুনে ৪১ জনের মৃত্যু এবং ৮১ জন আহত হয়।
১৯৮৩ সালে নির্মিত এই কমপ্লেক্সে মোট আটটি উঁচু ভবন রয়েছে, যেখানে ১,৯৮৪টি ফ্ল্যাট আছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর মধ্যে সাতটি ভবনে আগুন ছড়ায়। চারটি ভবনে আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে।
জানা গেছে, সোমবার থেকেই হংকংয়ে অগ্নিসতর্কতা জারি ছিল।
অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি ছিল অত্যন্ত বেশি।