, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি, অতিষ্ঠ সিদ্ধিরগঞ্জবাসী  ‎ তথ্যপ্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মতলবের মহিউদ্দিন রাজৈর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে-সারাক্ষণ বাতা পরিবারের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎ সিদ্ধিরগজ্ঞে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে গ্রেপ্তার ৭ ‎ নারায়ণগঞ্জে নতুন মামলায় আইভীকে ফের ‘শোন অ্যারেস্ট’, ‎ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনকে মহানগর যুবদলের সদস্য শহিদুল ইসলামের ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নারায়ণগঞ্জ নগরভবনের দায়িত্ব নিলেন সাখাওয়াত না.গঞ্জ‌ জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে আলোচনায় মামুন মাহমুদ পাসপোর্ট অফিসে মোবাইল কোর্টে ভুয়া সাংবাদিকের কারাদণ্ড ও জরিমানা

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি, অতিষ্ঠ সিদ্ধিরগঞ্জবাসী  ‎

  • প্রকাশের সময় : ৭ ঘন্টা আগে
  • ১৫ পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

‎নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশার আক্রমণ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। বাসা-বাড়ি, দোকানপাট এমনকি মসজিদেও স্বস্তিতে থাকা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানান, নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। অনেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ফগার মেশিনের দেখা নেই। নালা-নর্দমা ও ড্রেনে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার না করায় মশার বংশবিস্তার বাড়ছে বলে অভিযোগ তাদের।

‎ সন্ধ্যার পর কর্মজীবী মানুষ বিশ্রাম নিতে লেক পাড়ে এলেও মশার যন্ত্রনায় বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারছেন না। ব্যবসায়ী আলামিন জানান “সারা দিনের ব্যবসার শেষে একটু প্রশান্তির জন্য লেক পাড়ে আসি। কিন্তু গত এক মাস ধরে শুধু এখানে নয়, নগরীর কোথাও বসা যায় না। প্রতি মিনিটে অসংখ্য মশা কামড় দেয়।

‎২নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলমগীর জানান, এক মাসের বেশি সময় ধরে কার্যকর মশা নিধন কার্যক্রম দেখেননি। ৩ নংওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল বলেন, ‘ড্রেন পরিষ্কারের কাজ নেই, মশা তাড়ানোরও দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। মহা যন্ত্রণায় আছি আমরা।

‎নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি কর্পোরেশনের দুই কর্মকর্তা জানান, ফগার মেশিনে মূলত কেরোসিন স্প্রে করা হচ্ছে; কার্যকর কীটনাশক ব্যবহার না করায় কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। এতে প্রতিদিনই মশা বাড়ছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

‎এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন বলেন এভাবে মশার বিস্তার অব্যাহত থাকলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি বাড়বে। গত বছর যে হারে ডেঙ্গু সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে, এ বছর মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের মশা নিধনে কোনো কার্যক্রম নেই, এটি সঠিক নয়। বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্প্রে কার্যক্রম চলমান রয়েছে । তবে লোকবলের অভাব রয়েছে, এটাও সত্য।

‎স্প্রেতে ভেজাল বা নিম্নমানের ওষুধ ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমানে ব্যবহৃত ওষুধ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি, অতিষ্ঠ সিদ্ধিরগঞ্জবাসী  ‎

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি, অতিষ্ঠ সিদ্ধিরগঞ্জবাসী  ‎

প্রকাশের সময় : ৭ ঘন্টা আগে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

‎নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশার আক্রমণ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। বাসা-বাড়ি, দোকানপাট এমনকি মসজিদেও স্বস্তিতে থাকা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানান, নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। অনেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ফগার মেশিনের দেখা নেই। নালা-নর্দমা ও ড্রেনে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার না করায় মশার বংশবিস্তার বাড়ছে বলে অভিযোগ তাদের।

‎ সন্ধ্যার পর কর্মজীবী মানুষ বিশ্রাম নিতে লেক পাড়ে এলেও মশার যন্ত্রনায় বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারছেন না। ব্যবসায়ী আলামিন জানান “সারা দিনের ব্যবসার শেষে একটু প্রশান্তির জন্য লেক পাড়ে আসি। কিন্তু গত এক মাস ধরে শুধু এখানে নয়, নগরীর কোথাও বসা যায় না। প্রতি মিনিটে অসংখ্য মশা কামড় দেয়।

‎২নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলমগীর জানান, এক মাসের বেশি সময় ধরে কার্যকর মশা নিধন কার্যক্রম দেখেননি। ৩ নংওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল বলেন, ‘ড্রেন পরিষ্কারের কাজ নেই, মশা তাড়ানোরও দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। মহা যন্ত্রণায় আছি আমরা।

‎নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি কর্পোরেশনের দুই কর্মকর্তা জানান, ফগার মেশিনে মূলত কেরোসিন স্প্রে করা হচ্ছে; কার্যকর কীটনাশক ব্যবহার না করায় কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। এতে প্রতিদিনই মশা বাড়ছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

‎এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন বলেন এভাবে মশার বিস্তার অব্যাহত থাকলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি বাড়বে। গত বছর যে হারে ডেঙ্গু সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে, এ বছর মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের মশা নিধনে কোনো কার্যক্রম নেই, এটি সঠিক নয়। বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্প্রে কার্যক্রম চলমান রয়েছে । তবে লোকবলের অভাব রয়েছে, এটাও সত্য।

‎স্প্রেতে ভেজাল বা নিম্নমানের ওষুধ ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমানে ব্যবহৃত ওষুধ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।